কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ এ ১১:৫৮ PM

গ্রাম আদালত কী

কন্টেন্ট: পাতা

আপনি গ্রাম আদালত সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। এটি বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর এবং গ্রামীণ জনপদে ছোটখাটো দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা দ্রুত ও সহজে নিষ্পত্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় গঠিত একটি স্থানীয় আদালত।

এখানে গ্রাম আদালত সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া হলো:

  • উদ্দেশ্য: গ্রামের দরিদ্র মানুষ যাতে সহজে, কম সময়ে এবং নামমাত্র খরচে তাদের ছোটখাটো বিরোধের বিচার পেতে পারে, তা নিশ্চিত করা। এটি বড় আদালতগুলোর মামলার চাপ কমাতেও সাহায্য করে।

  • আইন: বর্তমানে এটি গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অনুযায়ী পরিচালিত হয়।

  • গঠন: সাধারণত একজন চেয়ারম্যান এবং উভয় পক্ষ কর্তৃক মনোনীত দুইজন করে মোট চারজন সদস্য, অর্থাৎ মোট পাঁচজন সদস্য নিয়ে গ্রাম আদালত গঠিত হয়।

    • চেয়ারম্যান হলেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান

    • উভয় পক্ষের মনোনীত ২ জন সদস্যের মধ্যে অন্তত একজনকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হতে হয়।

  • এখতিয়ার (ক্ষমতা): গ্রাম আদালত সাধারণত ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা মূল্যমানের দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা বিচার করতে পারে।

  • মামলার প্রকারভেদ: এখানে সাধারণত চুরি, ঝগড়া-বিবাদ, ফসলের ক্ষতি, শারীরিক আক্রমণ, পাওনা টাকা আদায়, অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধার বা ক্ষতিপূরণ আদায় ইত্যাদি বিষয়ক মামলাগুলো বিচার করা যায়।

  • প্রক্রিয়া:

    • মামলা দায়েরের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে লিখিত আবেদন করতে হয়।

    • মামলা করতে কোনো আইনজীবীর প্রয়োজন হয় না।

এই আদালত স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে পরিচালিত হয়, যার ফলে মামলা দীর্ঘস্থায়ী হয় না এবং দ্রুত একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান খোঁজা সম্ভব হয়।


এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন